বীর বীর

যা ভেবেছিলাম , হুবহু মিলে যাচ্ছে।
আবর্তের মধ্যে ঘার আবর্ত

একবার আমি ভুবনেশ্বরে , ধবলগিরিতে
বুদ্ধের স্ট্যাচুতে রক্ত দেখে আঁতকে উঠেছিলাম, আমার শরীর
হিম হয়ে যায়।চারদিকে মানুষের আনাগোনা, টুরিস্টের ভিড় ,
লক্ষ করি
কারোর ভ্রুক্ষেপ নেই, যেন এসব নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। আমার
দিকে
তথাগতর নিষ্পলক চোখ। ভয়ে কেঁপে উঠি।
ঝাউগাছে ক্রন্দনমাখা বাতাস। অপরাধবোধে আমি
নিজের পাঁজর খুলে দেখলাম
সারিবদ্ধ হা-মুখ কবর। মাথার উপরে চক্রাকারে শকুন। জঙ্গল থেকে
বেরিয়ে আসছে হিংস্র হায়েনা, দাঁতাল শুয়োর, খেঁকশিয়াল,
ফণা-তোলা
কেউটে, তক্ষক

সূর্য অস্তাচলে। অন্ধকার হয়ে আসে। হঠাৎ আর্তনাদ।
কান পাতি। নরনারী চুপ, মৌন। তবে কী মুমূর্ষের চিৎকার?
যেমন শুনেছিলাম দেলফি মন্দিরে ?

বুদ্ধদেব আবার আমার দিকে তাকালেন। ঠোঁট কাঁপছে। স্পষ্ট
শুনতে পেলাম
” বীর-বীরাঙ্গনা এখন কোথায়, ভয়ে দিশেহারা কার প্রতারণায় “?
৯ ডিসেম্বর ২০১৩
বার্লিন, জার্মানি

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s